নারায়ণগঞ্জ শিল্প পুলিশ সুপার আল মাহমুদ বলেছেন, ‘আমরা বিশৃঙ্খলা মোকাবেলায় প্রায় শতাধিক টিয়ারশেল ও সাউন্ডগ্রেনেড ব্যবহার করেছি। আমাদের ১০/১২ জন আহত হয়েছেন। এই সংঘর্ষে জড়িত ৪/৫ জনকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাস্তায় যান চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

আল মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতায় নারায়ণগঞ্জের শ্রমিকরা খুবই ভদ্র এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা কখনই তাদের আক্রমনাত্বক আচরণ দেখিনাই। আজকে লাঞ্চের টাইম পর্যন্ত যেসব ফ্যাক্টরিতে অসন্তোষ হতে পারে সেসব ফ্যাক্টরিতে আমরা গিয়েছি। তারা আমাদের জানিয়েছে তারা সহিংস আন্দোলনে নামবে না। কিন্তু লাঞ্চের পরে কিছু সংখ্যক উস্কানিদাতা ফ্যাক্টরি থেকে নেমে এসে অন্যান্য শ্রমিকদের রাস্তায় নামায়। প্রায় ১০ হাজারের মত শ্রমিক একত্রিত করে।

আমরা প্রথমে চেষ্টা করেছি ইন্ধনদাতা ও সাধারন শ্রমিকদের পৃথক করতে। কারন আমরা সাধারন শ্রমিকদের আঘাত করতে চাই না। আমরা তাদের আলাদা করে বলি সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে সকলেই সেই সুবিধা লাভ করতে পারবে। সাধারন শ্রমিকরা সেই বিষয়টি বুঝতে পেরেছে।

আমরা মাইকিং করেছি যে আপনারা যারা সাধারন শ্রমিক তারা রাস্তা ছেড়ে চলে যান। আমাদের আহবানে অনেকেই সড়ক ছেড়ে চলে গেছে। এরপরেও কিছু সংখ্যক লোক রাস্তায় অবস্থান করে এবং আমাদের ব্যারিকেড ভেঙ্গে সামনে আগানোর চেষ্টা করে। আমরা তখন নিশ্চিত হই তারা অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। আমরা সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল ব্যবহার করেছি।