নারায়ণগঞ্জ শহরের বাবুরাইল খালের দুই পাশে সৌন্দর্যবর্ধন এবং নগরবাসীর চলাচলের সুবিধার জন্য বসানো হয়েছিলো লাইট। তবে তদারকির অভাব এবং নিরাপত্তা প্রহরী না থাকার সুবাদে এসব লাইট ও বৈদ্যুতিক তার চুরি করে নিয়েছে চোরেরা। ফলে সন্ধ্যা নামলেই অন্ধকার হয়ে পড়ে খাল সংলগ্ন সড়কগুলো।
সিটি করপোরেশন সূত্র জানিয়েছে, গত ২ মাসে তিনবার এসব ল্যাম্পপোস্ট থেকে বৈদ্যুতিক তার চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। প্রতিবারই ২০ থেকে ৩০ টি ল্যাম্পপোস্টের তার এবং লাইট চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়। অল্প সময়ের মধ্যে বার বার একই ধরণের ঘটনা ঘটায় ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন নাসিকের কর্মকর্তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা সুদেব কানাই দাস বলেন, ‘বাবুরাইল খালের আশেপাশের লাইটগুলো চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে চোরেরা। বিশেষ করে কাশিপুর ইউনিয়ন এলাকায় এই ঘটনা বেশী ঘটছে। ফলে রাতে সড়ক অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে থাকে। সিটি করপোরেশন স্থায়ী কোন সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছে না।’
বাসিন্দারা বলছেন, ‘৫ আগস্টের পর থেকে বাবুরাইল খাল নিয়ে সিটি করপোরেশনের উদাসীনতা বেড়েছে। ঠিকভাবে খাল পরিস্কার রাখা হয়না। লাইটগুলো চুরি করে নিয়ে যায়। বিভিন্ন স্থানে ভেঙ্গে ফেলছে মাদকসেবীরা। ভিউইং ডেকগুলো থাকছে অপরিস্কার। এখানে সার্বক্ষনিক তদারকির জন্য নাসিকের কর্মী নিয়োগ দরকার।’
বার বার তার চুরির বিষয়টি স্বীকার করেছেন নাসিকের সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হাশেম। তিনি বলেন, ‘আমাদের গত দুই মাসে তিনবার তার ও লাইট চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুই বার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি আমরা। তারের দাম এখন অনেক বেশী। বার বার স্থাপন করার পরেই সেগুলো চুরি হয়ে যাচ্ছে। বিশেষত কাশিপুর অঞ্চলে যেই অংশটা পড়েছে সেখানে বেশী হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, অষ্টমির রাতে আমাদের উকিলপাড়া এলাকা থেকে তার চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও সেগুলো দামী নয়, কিন্তু আমাদের তো ভোগান্তি হচ্ছে। স্থায়ী সমাধানের জন্য আমরা সুপারিশ করেছি। গুরুত্বপূর্ন স্থানে যেন আনসার বা সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগ দেয়া হয়। পুলিশ যদি একটি সতর্ক ভুমিকায় থাকে তাহলে এই ধরণের চুরি অনেকটাই রোধ করা সম্ভব।










