নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সাবেক সভাপতি ও মডেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদুজ্জামান মাসুদ বলেছেন, ‘অনেকেই অনেক বড় বড় কথা বলেন। আপনাদের টাকা না দিলে শ্রমিকদের বেতন ৩০ হাজার নয়, ৪০ হাজার টাকা দিতে পারবো। আমাদের ওয়ান স্টপ সার্ভিস দেন। শ্রমিকের কত টাকা বেতন দিতে হয় আমরা দিবো।

অমুকের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, অমুকের জন্মদিন, কাস্টমসের অমুক টাকা, এনবিএআরের অমুক টাকা। যেখানেই কাগজ লাগে সেখানেই টাকা দিতে হয়। এত টাকা দিতে দিতে মালিকদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। যে কারণে আমরা দিতে পারি না। আমাদের কোথায় টাকা দিতে হয় না? বছরে কোটি কোটি টাকা দিতে হয়। এই টাকা আমরা শ্রমিকদের দিতে পারতাম।’

বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এই মন্তব্য করেন তিনি। এদিন শ্রমিক আন্দোলনের বিষয়ে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সাথে মতবিনিময় করেন চেম্বারের সভাপতি ও সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু।

মাসুদুজ্জামান মাসুদ বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ’কে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিজিএমইএ এবং বিকেএমইএ শত শত কোটি টাকা এফডিআর করে রাখবে। অথচ ক্রাইসিসে ভূমিকা রাখতে পারবে না। এটা হতে পারে না। আপনারা শ্রমিক মালিকদের সহযোগিতা করেন। আপনারা কেন শ্রমিকদের জন্য কাজ করতে পারেন না?

এসময় উপস্থিত ছিলেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহ সভাপতি আবু জাফর, পরিচালক রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধূরী, সোহেল আক্তার, গোলাম সারোয়ার সাঈদ, আহমেদুর রহমান তনু, হোসিয়ারি এসোসিয়েশনের সভাপতি বদিউজ্জামান বদু সহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা।