ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর ‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আমীর মাওলানা আবদুল জব্বার বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে ঐতিহাসিক ঘটনাবলী থেকে শিক্ষা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত সময়গুলোর অন্যায়, জুলুম ও দুঃশাসনের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বৈষম্যবিরোধী বিপ্লবের পর বর্তমান ও ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রপরিচালকদের অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর হয়ে কাজ করতে হবে।

শনিবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভার আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখা।

আবদুল জব্বার আরো বলেন , “১৯৭৫ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত না হলেও সে সময় সিপাহী-জনতার বিপ্লবে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একটি ইতিবাচক ভূমিকা ছিল। আমরা কোনো নির্দিষ্ট দলের না হলেও যার ভালো ভূমিকা ও নির্লোভ দেশপ্রেম রয়েছে, তাকে স্মরণ করা নৈতিক দায়িত্ব।

১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ এবং পরবর্তী সময়ে নিরপরাধ মানুষ ও আলেম-ওলামাদের ওপর চালানো জুলুম-নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন ট্যাগ লাগিয়ে অতীতে অসংখ্য নিরীহ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল। একইভাবে বিগত সরকার জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের ওপর অবিচার ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যে ঐতিহাসিক আওয়াজ তুলেছে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনে যারা দেশ পরিচালনা করবেন, তাদের সততা ও ন্যায়পরায়ণতার পথ বেছে নিতে হবে।

সভায় জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা মঈনুউদ্দিন আহমাদ, মহানগরী নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল কাইয়ুম, মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি ইঞ্জিনিয়ার মানোয়ার হোসাইন, সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ জামাল হোসাইন, এইচ এম নাসির উদ্দিন, জাকির হোসাইন সহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।