নিজস্ব প্রতিবেদক
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেছেন, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গড়তে শুধু প্রশাসনের ওপর নির্ভর করলে হবে না। প্রশাসনের পাশাপাশি ইমাম, আলেম-ওলামা, মুরব্বি ও যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
শুক্রবার গোগনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কেন্দ্রীয় বাইতুচ্ছালাত জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, এলাকার অন্যতম প্রধান সমস্যা মাদক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। এসব সমস্যা নিরসনে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে মাদক থেকে যুবসমাজকে দূরে রাখতে সামাজিক ও নৈতিক সচেতনতা বাড়ানোর বিকল্প নেই।
সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে আলেম-ওলামাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আলেমদের হক কথা বলতে হবে। সেই কথা কারও পক্ষে বা বিপক্ষে গেলেও সত্যের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে। একই সঙ্গে যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে আলেম-ওলামাদের নৈতিক নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সংসদ সদস্য বলেন, মাদক, সন্ত্রাস, জলাবদ্ধতা কিংবা নাগরিক দুর্ভোগ কোনো নির্দিষ্ট দলের সমস্যা নয়। এগুলো পুরো এলাকার মানুষের সমস্যা। তাই দলমত নির্বিশেষে এলাকার স্বার্থে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনপ্রতিনিধিরাও ভুলের ঊর্ধ্বে নন। তিনি নিজে কোনো অন্যায় করলে জনগণ যেন তাঁকে প্রশ্ন করেন এবং তাঁর ভুল ধরিয়ে দেন। রাষ্ট্রীয় উন্নয়নের জন্য যে বরাদ্দ দেওয়া হয়, তা জনগণের সম্পদ। এই অর্থ কোনো ব্যক্তি, পরিবার বা দলের স্বার্থে নয়, জনগণের কল্যাণে ব্যয় করতে হবে।
প্রোটোকল ও অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতার বাইরে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়ে তাদের কথা শোনার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, এলাকার মানুষের সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
জুমার নামাজ শেষে সংসদ সদস্য মুসুল্লি ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তিনি স্থানীয়দের বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ শোনেন। পরে এলাকার বিভিন্ন স্থান ঘুরে নাগরিক সমস্যাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।










