পোশাক শ্রমিকদের মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে আন্দোলনের পর ফতুল্লার পোশাক কারখানাগুলোতে কাজে ফিরেছেন শ্রমিকেরা। রোববার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকদের উপস্থিতি দেখা গেছে। শিল্প কারখানার পরিচালকরা জানিয়েছেন, স্বাভাবিক ভাবেই চলছে উৎপাদন।

সকাল থেকেই শ্রমিক অসন্তোষ ঠেকাতে ফতুল্লা জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ফতুল্লার শিবু মার্কেট, স্টেডিয়াম, কাঠেরপুল, রামারবাগ ও নয়ামাটি এলাকায় পুলিশ, শিল্প পুলিশ, বিজিবি, আনসার সদস্যদের টহল দিতে দেখা যায়। সেই সাথে জলকামান ও রায়ট কারও প্রস্তুত রাখা হয়।

কারখানার বেশ কয়েকজন শ্রমিকরা জানান, গত সপ্তাহে আন্দোলন ও কর্মস্থলে গোলযোগের শংকা ছিলো। আন্দোলনের কারনে কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। তবে আজ সকাল থেকে স্বাভাবিক রয়েছে কার্যক্রম। আমরা নিরাপদে কর্মস্থলে যোগ দিয়েছি। কোন শংকা কাজ করছে না।

আরেক পোশাক শ্রমিক বলেন, আমাদের ধারনা আর আন্দোলন হবে না। তবে সরকারের উচিত আমাদের বিষয়টি বিবেচনা করা। তারা সরকারি চাকুরিজীবীদের বেতন বাড়িয়েছেন। বাজারে সবকিছুর দাম বেশী। আমাদের বেতন না বাড়ালে আমরা চলবো কিভাবে?

নারায়ণগঞ্জ শিল্প পুলিশের পুলিশ সুপার আল মাহমুদ বলেন, শ্রমিক নেতৃবৃন্দ আমাদের জানিয়েছেন আন্দোলন চলমান রাখবেন না। তারা সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থা রেখেছেন। এরপরেও কেউ যেন উস্কানি দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না পারে সেজন্য আমাদের সতর্ক অবস্থান ছিলো দিনভর।